আজকাল ছবি তোলাটা খুব সহজ, তাই না? স্মার্টফোন বের করে একটা ক্লিক করলেই হল। কিন্তু ছবি তোলার পর সেটাকে সুন্দর করে এডিট করাটাও তো জরুরি। আর সেই কাজে যদি একটু আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ছোঁয়া লাগে, তাহলে কেমন হয়?
হ্যাঁ, আপনি ঠিকই ধরেছেন! আজকের ব্লগ পোস্টে আমরা সেরা ১০টি এআই ফটো এডিটিং টুল নিয়ে আলোচনা করব। এই টুলগুলো আপনার ছবিকে আরও প্রাণবন্ত এবং আকর্ষণীয় করে তুলতে সাহায্য করবে। তাহলে চলুন, শুরু করা যাক!
এআই ফটো এডিটিং টুল কেন ব্যবহার করবেন?
আপনি হয়তো ভাবছেন, “আমি তো এমনিতেই ফটো এডিট করতে পারি, তাহলে এআই টুলের দরকার কী?” 🤔
আসলে, এআই ফটো এডিটিং টুলগুলো আপনার কাজকে অনেক সহজ করে দেয়। ধরুন, আপনি একটি ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তন করতে চান, অথবা ছবির মধ্যে থাকা অবাঞ্ছিত কিছু জিনিস সরিয়ে দিতে চান। এই কাজগুলো ম্যানুয়ালি করতে গেলে অনেক সময় লাগে, কিন্তু এআই টুল দিয়ে আপনি এটা কয়েক সেকেন্ডেই করে ফেলতে পারবেন! শুধু তাই নয়, এআই আপনার ছবির মান আরও উন্নত করতে, যেমন – নয়েজ কমানো, শার্পনেস বাড়ানো ইত্যাদি কাজেও সাহায্য করে।
সেরা ১০টি এআই ফটো এডিটিং টুল
তাহলে চলুন, আর দেরি না করে সেরা ১০টি এআই ফটো এডিটিং টুলের সাথে পরিচিত হই।
১. ফটো ডিরেক্টর এসেনশিয়াল (PhotoDirector Essential)
ফটো ডিরেক্টর এসেনশিয়াল এমন একটি টুল, যা ব্যবহার করা খুব সহজ, কিন্তু এর ক্ষমতা অনেক বেশি। এই টুলে আপনি এআই স্টাইল ইফেক্ট, এআই স্কাই রিপ্লেসমেন্ট এবং এআই ডি-ব্লার ও ডিনয়েজের মতো ফিচার পাবেন। শুধু তাই নয়, এটি দিয়ে মুখের দাগ দূর করা এবং বডি শেপিংয়ের মতো কাজও সহজে করতে পারবেন। সবচেয়ে মজার বিষয় হল, এর জেনারেটিভ এআই ফিচার দিয়ে আপনি টেক্সট প্রম্পট ব্যবহার করে ছবি এবং ব্যাকগ্রাউন্ড তৈরি করতে পারবেন। যারা সহজে ব্যবহারযোগ্য ইন্টারফেসের সাথে শক্তিশালী এআই টুল খুঁজছেন, তাদের জন্য এটি অসাধারণ। সাইবারলিংকের মতে, এটি নতুন এবং অভিজ্ঞ ব্যবহারকারী উভয়ের জন্যই উপযুক্ত। এর প্রিমিয়াম প্ল্যানটির দাম মাসে $3.33।

২. লুমিনার নিও (Luminar Neo)
লুমিনার নিও তাদের জন্য যারা এআই-এর সমন্বয়ে ছবি এডিট করতে চান। এই টুলের এআই এনহ্যান্স (AI Enhance) ফিচারটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোন, কনট্রাস্ট এবং কালার অ্যাডজাস্ট করে। এছাড়াও, এআই স্কাই রিপ্লেসমেন্ট (AI Sky Replacement), জেনইরেজ (GenErase) এবং জেনএক্সপ্যান্ডের (GenExpand) মতো ফিচারগুলো আপনার ছবিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে। লুমিনার নিও বিশেষভাবে পরিচিত এর অটো সাবজেক্ট ডিটেকশন এবং এআই ফেস ও স্কিন অ্যাডজাস্টমেন্টের জন্য। Zapier এবং TheMFrames অনুসারে, এটি এআই এবং ম্যানুয়াল কন্ট্রোলের মধ্যে একটি চমৎকার সমন্বয় প্রদান করে।
৩. অ্যাডোবি ফটোশপ (Adobe Photoshop) (ফায়ারফ্লাই এআই সহ)
অ্যাডোবি ফটোশপ একটি বহুল পরিচিত এবং শক্তিশালী ফটো এডিটিং সফটওয়্যার। এর ফায়ারফ্লাই এআই (Firefly AI) ফিচারটি টেক্সট-টু-ইমেজ এবং ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভালের মতো অত্যাধুনিক সুবিধা প্রদান করে। আপনি যদি একজন প্রফেশনাল হন এবং ছবির ওপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রাখতে চান, তাহলে ফটোশপ আপনার জন্য সেরা। সাইবারলিংক অনুসারে, কাস্টমাইজেশনের জন্য এর জুড়ি নেই। তবে, এটি ব্যবহারের জন্য আপনাকে অ্যাডোবি ক্রিয়েটিভ ক্লাউডের (Adobe Creative Cloud) সাবস্ক্রিপশন নিতে হবে।
৪. ক্যানভা (Canva)
ক্যানভা মূলত ডিজাইন এবং ফটো এডিটিংয়ের জন্য খুব জনপ্রিয়। এর এআই-পাওয়ার্ড ডিজাইন এবং ফটো এডিটিং টুলগুলি ব্যবহার করা খুবই সহজ। ক্যানভা দিয়ে আপনি খুব সহজেই ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করতে পারবেন, অবজেক্ট সরিয়ে ফেলতে পারবেন এবং এক ক্লিকেই ছবির মান উন্নত করতে পারবেন। যারা সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য দ্রুত এবং সহজে ছবি এডিট করতে চান, তাদের জন্য ক্যানভা একটি দারুণ অপশন। KripeshAdwani এর মতে, এটি নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য খুবই উপযোগী। ক্যানভা বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায়, তবে আরও কিছু অতিরিক্ত ফিচারের জন্য প্রিমিয়াম প্ল্যানও রয়েছে।
৫. টোপাজ ফটো এআই (Topaz Photo AI)
টোপাজ ফটো এআই বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে ছবির মান বাড়ানোর জন্য। এই টুলের এআই শার্পেনিং, নয়েজ রিডাকশন এবং আপস্কেলিংয়ের মতো ফিচারগুলো আপনার ছবিকে আরও পরিষ্কার এবং ডিটেইলড করে তুলবে। যদি আপনি আপনার পুরনো ছবিগুলোকে পুনরুদ্ধার করতে চান অথবা ছবির মান উন্নত করতে চান, তাহলে টোপাজ ফটো এআই হতে পারে আপনার সেরা পছন্দ। সাইবারলিংক এটিকে হাই-কোয়ালিটি এনহ্যান্সমেন্ট এবং রেস্টোরেশনের জন্য সেরা বলছে।
৬. ফোটর (Fotor)
ফোটর একটি অল-ইন-ওয়ান ফটো এডিটিং টুল, যাতে এআই ইফেক্ট, ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভাল, অবজেক্ট রিমুভাল এবং কোলাজ তৈরির সুবিধা রয়েছে। এটি খুব দ্রুত এবং সহজে ছবি এডিট করার জন্য উপযুক্ত। বিশেষ করে যারা নতুন, তাদের জন্য এটি খুব সহজ একটি টুল। KripeshAdwani এটিকে দ্রুত এডিটিংয়ের জন্য সেরা বলেছেন। ফোটর বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায়, তবে আরও কিছু অ্যাডভান্সড ফিচারের জন্য প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন।
৭. পিক্সলার (Pixlr)
পিক্সলার একটি ওয়েব-ভিত্তিক ফটো এডিটিং টুল, যা বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায়। এই টুলের এআই ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভাল এবং ওয়ান-ক্লিক এনহ্যান্সমেন্টের মতো ফিচারগুলো খুব সহজেই ব্যবহার করা যায়। পিক্সলার লেয়ার এবং অ্যাডভান্সড এডিটিংও সাপোর্ট করে, যা এটিকে আরও শক্তিশালী করে তুলেছে। সাইবারলিংক অনুসারে, যারা ওয়েব-ভিত্তিক টুল পছন্দ করেন, তাদের জন্য পিক্সলার একটি দারুণ অপশন।
৮. মেইতু (Meitu)
মেইতু মূলত সেলফি এবং পোর্ট্রেট এডিটিংয়ের জন্য জনপ্রিয়। এই অ্যাপে মেডিকেল-গ্রেড পোর্ট্রেট এনহ্যান্সমেন্ট, রিয়েল-টাইম এআই ফিল্টার এবং এইচডি ফেসিয়াল রিটাচিংয়ের মতো ফিচার রয়েছে। মেইতুর এআই কাটআউট (AI Cutout) ফিচারটি কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে যেকোনো ছবি থেকে ব্যাকগ্রাউন্ড সরিয়ে ফেলতে পারে। যারা দ্রুত এবং নিখুঁতভাবে সেলফি এডিট করতে চান, তাদের জন্য মেইতু একটি অসাধারণ অ্যাপ। Meitu নিজেই দাবি করে যে, এটিতে থাকা এআই ফিল্টারগুলো খুবই কার্যকরী।
৯. (PicsArt)
পিক্সআর্ট একটি বহুমুখী ফটো এডিটিং অ্যাপ, যা মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এই অ্যাপে এআই ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভাল, কাস্টমাইজেবল ডুডলস, স্টিকার এবং বিভিন্ন এআই-পাওয়ার্ড ইফেক্ট রয়েছে। পিক্সআর্ট দিয়ে আপনি খুব সহজেই আপনার ছবিকে ক্রিয়েটিভ এবং মজাদার করে তুলতে পারেন। KripeshAdwani এটিকে মোবাইল এডিটিংয়ের জন্য একটি চমৎকার টুল হিসেবে উল্লেখ করেছেন। পিক্সআর্ট বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায়, তবে প্রিমিয়াম প্ল্যানে আরও কিছু অতিরিক্ত সুবিধা পাওয়া যায়।
১০. ইনPixio (inPixio)
ইনPixio একটি ইউজার-ফ্রেন্ডলি ফটো এডিটিং সফটওয়্যার, যা এআই ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভাল, পোর্ট্রেট রিটাচিং এবং অবজেক্ট রিমুভালের মতো ফিচার প্রদান করে। এর সহজ ইন্টারফেস এবং এআই-এর সহায়তায় খুব দ্রুত ছবি এডিট করা যায়। যারা দ্রুত এবং কার্যকরী এআই-ভিত্তিক এডিটিং করতে চান, তাদের জন্য ইনPixio একটি ভালো পছন্দ। সাইবারলিংক এটিকে এআই-এর সহায়তায় ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তনের জন্য বিশেষভাবে উপযুক্ত মনে করে।

আপনার জন্য সেরা এআই ফটো এডিটিং টুল কোনটি?
উপরে আমরা সেরা ১০টি এআই ফটো এডিটিং টুল নিয়ে আলোচনা করলাম। কিন্তু আপনার জন্য কোন টুলটি সেরা, সেটা নির্ভর করে আপনার প্রয়োজন এবং পছন্দের ওপর।
- আপনি যদি একজন নতুন ব্যবহারকারী হন, তাহলে ক্যানভা, ফোটর বা পিক্সলারের মতো টুলগুলো ব্যবহার করতে পারেন।
- যদি আপনি মোবাইল ফোনে ছবি এডিট করতে চান, তাহলে পিক্সআর্ট বা মেইতু আপনার জন্য ভালো অপশন হতে পারে।
- আর যদি আপনি পেশাদার মানের এডিটিং করতে চান, তাহলে অ্যাডোবি ফটোশপ বা লুমিনার নিও ব্যবহার করতে পারেন।
এআই ফটো এডিটিংয়ের ভবিষ্যৎ
এআই এর ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে, তাই ফটো এডিটিংয়ের ক্ষেত্রেও এর প্রভাব বাড়ছে। ২০২৫ সালে এআই ফটো এডিটিং টুলগুলো আরও উন্নত হবে, এবং আমাদের জীবনকে আরও সহজ করে তুলবে, তাই তো?
- জেনারেটিভ এআইয়ের ব্যবহার বাড়বে: ২০২৫ সালে জেনারেটিভ এআইয়ের ব্যবহার আরও বাড়বে। এর মাধ্যমে টেক্সট প্রম্পট ব্যবহার করে ছবি এবং ব্যাকগ্রাউন্ড তৈরি করা আরও সহজ হবে।
- মোবাইল এডিটিংয়ের উন্নতি: এখনকার দিনে বেশিরভাগ মানুষই মোবাইল দিয়ে ছবি তোলে এবং এডিট করে। তাই মোবাইল এডিটিং অ্যাপগুলো আরও উন্নত হবে এবং আরও বেশি ফিচার নিয়ে আসবে।
- ব্যক্তিগত পছন্দ অনুসারে এডিটিং: এআই আপনার ছবি তোলার স্টাইল এবং পছন্দ বুঝতে পারবে, এবং সেই অনুযায়ী এডিটিংয়ের পরামর্শ দিতে পারবে।
এআই ফটো এডিটিং নিয়ে কিছু সাধারণ প্রশ্ন (FAQ)
এআই ফটো এডিটিং নিয়ে আপনার মনে কিছু প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক। তাই নিচে কিছু সাধারণ প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হলো:
১. এআই ফটো এডিটিং কি সত্যিই আমার ছবিকে ভালো করতে পারে?
অবশ্যই! এআই ফটো এডিটিং টুলগুলো আপনার ছবির মান অনেক উন্নত করতে পারে। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছবির রং, কনট্রাস্ট এবং শার্পনেস অ্যাডজাস্ট করতে পারে, যা আপনার ছবিকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।
২. এআই ফটো এডিটিং টুল ব্যবহার করা কি কঠিন?
মোটেই না! বেশিরভাগ এআই ফটো এডিটিং টুলের ইন্টারফেস খুবই সহজ এবং ইউজার-ফ্রেন্ডলি। আপনি যদি আগে কখনো ফটো এডিট না করে থাকেন, তবুও এই টুলগুলো ব্যবহার করতে পারবেন।
৩. আমি কি বিনামূল্যে এআই ফটো এডিটিং টুল ব্যবহার করতে পারি?
হ্যাঁ, অনেক এআই ফটো এডিটিং টুল বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায়। ক্যানভা, ফোটর এবং পিক্সলারের মতো অনেক টুলের ফ্রি ভার্সন রয়েছে, যা আপনি ব্যবহার করতে পারেন। তবে, কিছু অ্যাডভান্সড ফিচারের জন্য আপনাকে প্রিমিয়াম প্ল্যান কিনতে হতে পারে।
৪. কোন এআই ফটো এডিটিং টুলটি আমার জন্য সেরা?
আপনার জন্য কোন টুলটি সেরা, তা নির্ভর করে আপনার ব্যক্তিগত প্রয়োজন এবং পছন্দের ওপর। আপনি যদি একজন নতুন ব্যবহারকারী হন, তাহলে ক্যানভা বা ফোটরের মতো টুল ব্যবহার করতে পারেন। আর যদি আপনি পেশাদার মানের এডিটিং করতে চান, তাহলে অ্যাডোবি ফটোশপ বা লুমিনার নিও ব্যবহার করতে পারেন।
৫. এআই দিয়ে কি ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তন করা যায়?
অবশ্যই! অনেক এআই ফটো এডিটিং টুলে ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভাল এবং রিপ্লেসমেন্টের ফিচার রয়েছে। এই টুলগুলো ব্যবহার করে আপনি খুব সহজেই আপনার ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তন করতে পারবেন। মেইতুর এআই কাটআউট (AI Cutout) ফিচারটি কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে যেকোনো ছবি থেকে ব্যাকগ্রাউন্ড সরিয়ে ফেলতে পারে।
৬. এআই ফটো এডিটিং টুল ব্যবহার করার জন্য কি আমার ইন্টারনেট সংযোগ লাগবে?
কিছু এআই ফটো এডিটিং টুল, যেমন পিক্সলার, ওয়েব-ভিত্তিক হওয়ায় ব্যবহারের জন্য ইন্টারনেট সংযোগের প্রয়োজন হয়। অন্যদিকে, কিছু টুল যেমন ফটো ডিরেক্টর এসেনশিয়াল বা টোপাজ ফটো এআই, অফলাইনেও কাজ করতে পারে। তাই আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী টুল বেছে নিন।
৭. এআই কি আমার ছবিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে পারবে?
অবশ্যই! এআই আপনার ছবিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে পারে। Luminar Neo এর AI Enhance ফিচারটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোন, কনট্রাস্ট এবং কালার অ্যাডজাস্ট করে আপনার ছবিকে প্রাণবন্ত করে তুলবে।
৮. স্মার্টফোনের জন্য সেরা এআই ফটো এডিটিং টুল কোনটি?
স্মার্টফোনের জন্য PicsArt এবং Meitu খুবই জনপ্রিয়। PicsArt-এ আপনি AI ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভাল থেকে শুরু করে স্টিকার এবং বিভিন্ন AI-পাওয়ার্ড ইফেক্ট পাবেন। অন্যদিকে, Meitu সেলফি এবং পোর্ট্রেট এডিটিংয়ের জন্য বিশেষভাবে তৈরি, যেখানে রিয়েল-টাইম AI ফিল্টার ও HD ফেসিয়াল রিটাচিংয়ের সুবিধা আছে।
শেষ কথা
তাহলে, এই ছিল সেরা ১০টি এআই ফটো এডিটিং টুল নিয়ে আমাদের আলোচনা। আশা করি, এই ব্লগ পোস্টটি আপনাকে সঠিক টুলটি বেছে নিতে সাহায্য করবে এবং আপনার ছবিগুলোকে আরও সুন্দর করে তুলতে উৎসাহিত করবে।
এখন আপনার পালা! এই টুলগুলো ব্যবহার করে আপনার অভিজ্ঞতা কেমন হলো, তা আমাদের কমেন্ট করে জানাতে পারেন। আর যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে, তাহলে জিজ্ঞাসা করতে দ্বিধা করবেন না।
হ্যাপি ফটো এডিটিং! 😊
