আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন আপনি? আজকের ডিজিটাল যুগে, হাতে একটা ই-পাসপোর্ট থাকা মানেই যেন বিশ্ব আপনার হাতের মুঠোয়। বিশেষ করে, যদি সেটা হয় ১০ বছর মেয়াদী ই-পাসপোর্ট, তাহলে তো কথাই নেই! একবার করে নিলেই টেনশন ফ্রি, নিশ্চিন্তে ১০ বছর দেশ-বিদেশ ভ্রমণ করুন।
১০ বছর মেয়াদী ই-পাসপোর্ট এখন অনেক জনপ্রিয়। কারণ, বারবার পাসপোর্ট করার ঝামেলা থেকে মুক্তি। কিন্তু কিভাবে এই পাসপোর্টের জন্য অনলাইনে আবেদন করবেন, কী কী কাগজপত্র লাগবে, আর খরচই বা কেমন – এই সব নিয়ে অনেকের মনেই অনেক প্রশ্ন ঘোরাফেরা করে।
তাই, আজকের ব্লগ পোস্টে আমরা আলোচনা করব ১০ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্ট অনলাইনে আবেদন করার নিয়ম, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং ফি সম্পর্কে। তাহলে চলুন, শুরু করা যাক!
১০ বছর মেয়াদী ই-পাসপোর্ট: আপনার জন্য কেন এটা সেরা বিকল্প?
ই-পাসপোর্ট মানে হল ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট, যেখানে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য একটা ছোট চিপের মধ্যে সংরক্ষিত থাকে। এই চিপের কারণে ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া অনেক দ্রুত এবং সহজ হয়ে যায়। এখন প্রশ্ন হল, কেন আপনি ১০ বছর মেয়াদী ই-পাসপোর্ট বেছে নেবেন?
- দীর্ঘমেয়াদী সুবিধা: একবার পাসপোর্ট করলে ১০ বছরের জন্য নিশ্চিন্ত। বারবার নবায়নের ঝামেলা নেই।
- ভ্রমণ সহজীকরণ: ই-পাসপোর্ট রিডেবল হওয়ায় ইমিগ্রেশন এবং অন্যান্য চেকিং খুব দ্রুত হয়।
- আধুনিক নিরাপত্তা: এই পাসপোর্টে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত থাকে, যা জালিয়াতি করা কঠিন।
ই-পাসপোর্টের জন্য অনলাইনে আবেদন করার নিয়ম
অনলাইনে ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা এখন আগের চেয়ে অনেক সহজ। আপনি ঘরে বসেই কয়েকটি সহজ ধাপ অনুসরণ করে আবেদন করতে পারবেন। চলুন, ধাপে ধাপে পুরো প্রক্রিয়াটি জেনে নেওয়া যাক:
ধাপ ১: ই-পাসপোর্ট পোর্টালে প্রবেশ
প্রথমে, বাংলাদেশ সরকারের ই-পাসপোর্ট পোর্টালে যান। এই লিংকে (www.epassport.gov.bd) ক্লিক করে সরাসরি ওয়েবসাইটে যেতে পারেন।
ধাপ ২: অ্যাকাউন্ট তৈরি করা
ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার পর, আপনাকে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। “Apply Online” অপশনে ক্লিক করে নিজের ইমেইল আইডি এবং অন্যান্য তথ্য দিয়ে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন। আপনার ইমেইলে একটি ভেরিফিকেশন লিঙ্ক পাঠানো হবে, সেটি ক্লিক করে অ্যাকাউন্টটি অ্যাক্টিভেট করুন।
ধাপ ৩: আবেদনপত্র পূরণ
অ্যাকাউন্ট অ্যাক্টিভেট করার পর, আপনার ব্যক্তিগত ড্যাশবোর্ডে লগইন করুন। সেখানে “Apply for e-Passport” অপশনটি খুঁজে বের করে ক্লিক করুন। এরপর একটি অনলাইন আবেদনপত্র আসবে, যেখানে আপনাকে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য, যেমন – নাম, ঠিকানা, জন্ম তারিখ, ইত্যাদি সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে।
ধাপ ৪: ছবি এবং অন্যান্য ডকুমেন্ট আপলোড
আবেদনপত্র পূরণ করার পর, আপনার পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আপলোড করতে হবে। মনে রাখবেন, ছবি এবং ডকুমেন্টগুলো যেন স্পষ্ট এবং সঠিক হয়। ছবির ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম আছে, যেমন – সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড, নির্দিষ্ট সাইজ ইত্যাদি।
ধাপ ৫: পেমেন্ট করা
সবশেষে, আপনাকে ই-পাসপোর্টের জন্য নির্ধারিত ফি পরিশোধ করতে হবে। আপনি অনলাইন ব্যাংকিং, মোবাইল ব্যাংকিং বা ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারবেন। পেমেন্ট করার পর, রিসিটটি ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করুন।
১০ বছর মেয়াদী ই-পাসপোর্টের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদনের সময় কিছু জরুরি কাগজপত্র লাগে, যা আপনার পরিচয় এবং নাগরিকত্ব প্রমাণ করে। নিচে কাগজপত্রগুলোর একটি তালিকা দেওয়া হলো:
- জন্ম নিবন্ধন সনদ অথবা জাতীয় পরিচয়পত্র: আপনার জন্ম তারিখ এবং পরিচয় প্রমাণের জন্য এই দুটি ডকুমেন্টের মধ্যে যেকোনো একটি লাগবে।
- পাসপোর্ট সাইজের ছবি: সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি, যা নির্দিষ্ট মাপের হতে হবে।
- ঠিকানার প্রমাণপত্র: আপনার বর্তমান ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে ইউটিলিটি বিল (যেমন – বিদ্যুৎ বিল, গ্যাস বিল) অথবা বাড়ির মালিকের থেকে প্রত্যয়নপত্র।
- পুরানো পাসপোর্ট (যদি থাকে): যদি আপনার আগে কোনো পাসপোর্ট থেকে থাকে, তবে সেটি অবশ্যই জমা দিতে হবে।
- নাগরিকত্বের সনদ: আপনি যে বাংলাদেশের নাগরিক, তার প্রমাণস্বরূপ স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর বা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে নাগরিকত্বের সনদ নিতে হবে।
ই-পাসপোর্ট ফি: কত টাকা লাগবে?
ই-পাসপোর্টের ফি নির্ভর করে আপনি কত পৃষ্ঠার পাসপোর্ট চান এবং কত দ্রুত পেতে চান তার উপর। সাধারণত, ৪৮ পৃষ্ঠা এবং ৬৪ পৃষ্ঠার পাসপোর্টের জন্য আলাদা ফি নির্ধারণ করা আছে। এছাড়াও, রেগুলার, এক্সপ্রেস এবং সুপার এক্সপ্রেস – এই তিনটি আলাদা ডেলিভারি অপশন রয়েছে, যেগুলোর ফি ভিন্ন ভিন্ন।
নিচে একটি টেবিলের মাধ্যমে ফি সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হলো (ফি পরিবর্তনশীল, তাই আবেদনের আগে ওয়েবসাইট থেকে জেনে নেওয়া ভালো):
| পৃষ্ঠার সংখ্যা | ডেলিভারি ধরণ | আনুমানিক ফি (BDT) |
|---|---|---|
| ৪৮ | রেগুলার | ৪,০২৫ |
| ৪৮ | এক্সপ্রেস | ৬,৩২৫ |
| ৪৮ | সুপার এক্সপ্রেস | ৮,৬২৫ |
| ৬৪ | রেগুলার | ৬,৩২৫ |
| ৬৪ | এক্সপ্রেস | ৮,৬২৫ |
| ৬৪ | সুপার এক্সপ্রেস | ১২,০৭৫ |
ই-পাসপোর্ট আবেদন করার সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস
- সঠিক তথ্য দিন: আবেদনপত্রে সব তথ্য যেন আপনার অন্যান্য ডকুমেন্টের সাথে মেলে। কোনো ভুল তথ্য দিলে আপনার আবেদন বাতিল হতে পারে।
- ছবি এবং ডকুমেন্টের মান: ছবি এবং অন্যান্য ডকুমেন্ট স্ক্যান করার সময় খেয়াল রাখবেন, সেগুলো যেন স্পষ্ট হয়। অস্পষ্ট ছবি বা ডকুমেন্ট গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে।
- পেমেন্ট নিশ্চিত করুন: পেমেন্ট করার পর রিসিট ডাউনলোড করতে ভুলবেন না। যদি কোনো কারণে পেমেন্ট আটকে যায়, তাহলে দ্রুত ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ করুন।
- আবেদনের স্ট্যাটাস চেক করুন: নিয়মিত ই-পাসপোর্ট পোর্টালে লগইন করে আপনার আবেদনের স্ট্যাটাস চেক করুন। কোনো আপডেট থাকলে সাথে সাথে ব্যবস্থা নিন।
ই-পাসপোর্ট পেতে কত দিন লাগতে পারে?
ই-পাসপোর্ট পেতে সাধারণত ডেলিভারি অপশনের উপর নির্ভর করে। রেগুলার ডেলিভারিতে একটু বেশি সময় লাগতে পারে, যেখানে এক্সপ্রেস এবং সুপার এক্সপ্রেস ডেলিভারিতে তুলনামূলকভাবে কম সময় লাগে। সাধারণত, রেগুলার ডেলিভারিতে ১৫-২০ দিন, এক্সপ্রেস ডেলিভারিতে ৭-১০ দিন এবং সুপার এক্সপ্রেস ডেলিভারিতে ২-৩ দিন লাগতে পারে।
ই-পাসপোর্ট সম্পর্কিত কিছু সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)
ই-পাসপোর্ট নিয়ে অনেকের মনেই কিছু প্রশ্ন থাকে। নিচে কয়েকটি সাধারণ প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হলো:
ই-পাসপোর্ট কি মেশিন রিডেবল?
জ্বী, ই-পাসপোর্ট অবশ্যই মেশিন রিডেবল। এর মধ্যে একটি চিপ থাকে, যা মেশিনে খুব সহজে পড়া যায়।
ই-পাসপোর্টের মেয়াদ কত বছর?
ই-পাসপোর্টের মেয়াদ সাধারণত ৫ বছর এবং ১০ বছর হয়ে থাকে। আপনি আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো একটি বেছে নিতে পারেন।
আমি কি আমার পুরানো পাসপোর্ট দিয়ে ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারবো?
হ্যাঁ, আপনি আপনার পুরানো পাসপোর্ট দিয়ে ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে, পুরানো পাসপোর্টের মেয়াদ থাকতে হবে অথবা মেয়াদ শেষ হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যে আবেদন করতে হবে।
ই-পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে?
ই-পাসপোর্ট করতে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্ম নিবন্ধন সনদ, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, ঠিকানার প্রমাণপত্র এবং নাগরিকত্বের সনদ লাগবে।
ই-পাসপোর্ট করতে কত টাকা লাগে?
ই-পাসপোর্টের ফি নির্ভর করে আপনি কত পৃষ্ঠার পাসপোর্ট চান এবং ডেলিভারি কেমন চান তার উপর। বিস্তারিত তথ্য উপরে দেওয়া আছে।
ই-পাসপোর্ট এর সুবিধা কি?
ই-পাসপোর্টের অনেক সুবিধা রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হল দ্রুত ইমিগ্রেশন, উন্নত নিরাপত্তা এবং দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার।
১০ বছর মেয়াদী ই পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে?
১০ বছর মেয়াদী ই-পাসপোর্ট করতে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্ম নিবন্ধন সনদ, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, ঠিকানার প্রমাণপত্র এবং নাগরিকত্বের সনদ লাগবে।
ই পাসপোর্ট করতে কত দিন লাগে?
ই-পাসপোর্ট পেতে সাধারণত ডেলিভারি অপশনের উপর নির্ভর করে। রেগুলার ডেলিভারিতে ১৫-২০ দিন, এক্সপ্রেস ডেলিভারিতে ৭-১০ দিন এবং সুপার এক্সপ্রেস ডেলিভারিতে ২-৩ দিন লাগতে পারে।
ই-পাসপোর্ট করতে কি পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগে?
সাধারণত, ই-পাসপোর্ট করতে পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগে না। তবে, কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে লাগতে পারে।
e passport করতে কি কি ডকুমেন্ট লাগে?
ই পাসপোর্ট করতে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্ম নিবন্ধন সনদ, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, ঠিকানার প্রমাণপত্র এবং নাগরিকত্বের সনদ লাগবে।
পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে ২০২৩?
পাসপোর্ট করতে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্ম নিবন্ধন সনদ, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, ঠিকানার প্রমাণপত্র এবং নাগরিকত্বের সনদ লাগবে।
পাসপোর্ট করার জন্য কি কি ডকুমেন্টস লাগে?
পাসপোর্ট করার জন্য আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্ম নিবন্ধন সনদ, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, ঠিকানার প্রমাণপত্র এবং নাগরিকত্বের সনদ লাগবে।
পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে?
পাসপোর্ট করতে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্ম নিবন্ধন সনদ, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, ঠিকানার প্রমাণপত্র এবং নাগরিকত্বের সনদ লাগবে।
পাসপোর্ট করতে কি কি ডকুমেন্টস লাগে?
পাসপোর্ট করার জন্য আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্ম নিবন্ধন সনদ, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, ঠিকানার প্রমাণপত্র এবং নাগরিকত্বের সনদ লাগবে।
পাসপোর্ট অনলাইন করার নিয়ম কি?
পাসপোর্ট অনলাইন করার নিয়ম উপরে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
পাসপোর্ট এর জন্য কি কি লাগে?
পাসপোর্ট এর জন্য আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদ, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, নাগরিক সনদ এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অন্যান্য কাগজপত্র লাগে।
পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে ২০২৩?
পাসপোর্ট করতে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদ, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, নাগরিক সনদ এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অন্যান্য কাগজপত্র লাগে।
পাসপোর্ট বানাতে কি কি লাগে?
পাসপোর্ট বানাতে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদ, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, নাগরিক সনদ এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অন্যান্য কাগজপত্র লাগে।
পাসপোর্ট সাইজ ছবি তোলার নিয়ম কি?
পাসপোর্ট সাইজ ছবি তোলার নিয়ম হল ছবি অবশ্যই সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড হতে হবে, আপনার মুখ স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হতে হবে, এবং ছবির নির্দিষ্ট মাপ থাকতে হবে।
পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে ২০২৩?
পাসপোর্ট করতে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদ, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, নাগরিক সনদ এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অন্যান্য কাগজপত্র লাগে।
নতুন পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে?
নতুন পাসপোর্ট করতে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদ, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, নাগরিক সনদ এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অন্যান্য কাগজপত্র লাগে।
পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে?
পাসপোর্ট করতে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদ, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, নাগরিক সনদ এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অন্যান্য কাগজপত্র লাগে।
পাসপোর্ট করতে কি কি ডকুমেন্ট লাগে?
পাসপোর্ট করতে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদ, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, নাগরিক সনদ এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অন্যান্য কাগজপত্র লাগে।
পাসপোর্ট করতে কি কি প্রয়োজন?
পাসপোর্ট করতে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদ, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, নাগরিক সনদ এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অন্যান্য কাগজপত্র লাগে।
পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে ২০২৩?
পাসপোর্ট করতে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদ, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, নাগরিক সনদ এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অন্যান্য কাগজপত্র লাগে।
পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে?
পাসপোর্ট করতে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদ, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, নাগরিক সনদ এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অন্যান্য কাগজপত্র লাগে।
পাসপোর্ট করতে কি কি ডকুমেন্ট লাগে?
পাসপোর্ট করতে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদ, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, নাগরিক সনদ এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অন্যান্য কাগজপত্র লাগে।
পাসপোর্ট করতে কি কি প্রয়োজন?
পাসপোর্ট করতে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদ, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, নাগরিক সনদ এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অন্যান্য কাগজপত্র লাগে।
পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে ২০২৩?
পাসপোর্ট করতে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদ, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, নাগরিক সনদ এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অন্যান্য কাগজপত্র লাগে।
পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে?
পাসপোর্ট করতে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদ, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, নাগরিক সনদ এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অন্যান্য কাগজপত্র লাগে।
ই-পাসপোর্ট করার পরে কি করবেন?
ই-পাসপোর্ট হাতে পাওয়ার পর, প্রথমেই সব তথ্য ভালো করে মিলিয়ে নিন। যদি কোনো ভুল থাকে, তাহলে দ্রুত পাসপোর্ট অফিসে যোগাযোগ করে সেটি সংশোধন করিয়ে নিন। এছাড়া, আপনার পাসপোর্টের একটি ফটোকপি সবসময় নিরাপদে রাখুন।
উপসংহার
আশা করি, এই ব্লগ পোস্টটি আপনাকে ১০ বছর মেয়াদী ই-পাসপোর্ট করার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দিতে পেরেছে। যদি আপনার আর কোনো প্রশ্ন থাকে, তবে কমেন্ট করে জানাতে পারেন। আর হ্যাঁ, পাসপোর্ট করার পর আপনার ভ্রমণ অভিজ্ঞতা আমাদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না! সুন্দর এবং নিরাপদ ভ্রমণ আপনার জন্য অপেক্ষা করছে।
